অসুস্থ মিনু বেগম জেলা সদরের দাদশী ইউনিয়নের গোপিনাথদিয়া এলাকার নিজাম মিয়ার স্ত্রী।
নিজাম মিয়া বলেন, জ¦র ও আনুসাঙ্গিক অন্যান্য সমস্য থাকায় আমার স্ত্রী মিনু
বেগমকে বিকেলে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক কে দেখিয়ে। এবং
চিকিৎসকের প্রেসকিপশন অনুযায়ী শহরের কিউ জামান মেডিক্যাল হল থেকে ঔষূধ ক্রয় করেন।।
এর মধ্যে ফিয়া প্লাস নামে জ্বরের ঔষূধ খাওয়ানো হয় যা খেয়ে আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষনিক তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে হাসপাতালে রুগীর ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে বলে কর্তব রত চিকিৎসক ডাঃ জুবায়ের এর উপর চড়াও হয় রুগীর স্বজনরা। তখন চিকিৎসক ঔষূধের পাতার গায়ের তারিখ লক্ষ্য করে বলেন, এটি তো মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ ঔষূধ খেয়ে রুগী অসুস্ত হয়েছে।
পড়ে
রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে কিউ জামান মেডিক্যাল হলে গিয়ে ভাংচুরের চেষ্টা
করলে সদর ফাড়ির টহল পুলিশের বাধায় তা করতে পারেনি।
এ খবর পেয়ে সদর থানার এস আই তারেকুজ্জামান এসে ঐ মেয়াদ উর্ত্তীনো ঔষূধগুলো জব্দ করেন।
এ ঘটনায় মিনু বেগমের স্বামী নিজাম মিয়া সদর থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
তবে এদিকে কিউ-জামান এর মালিকের ছেলে ও ফার্মেসী ব্যাসায়ী সমিতির সাধারন
সম্পাদক মো. আবদুর রউব-হিটু জানান মেয়াদ উত্তীণ ঔষধ ফিয়া প্লাস সেই জ্বরের
ঔষূধ টি কিউ-জামান থেকে বিক্রিকরা হয়নি। কারন নাভানা কম্পানীর ফিয়া প্লাস
ঔষধ এখন রাজবাড়ী কোন ঔষধের দোকানে নেই। তারা হয়তো গ্রামের কোন দোকন থেকে এই
ঔষধ ক্রয় করে ছিলো।
এবিষয়ে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মো. আবু জুবায়ের বলেন, রাত
৯টার দিকে রুগী মিনু বেগম নামে ঐ রুগীকে নিয়ে আসলে সাথে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি বমি করা শুরু করে। যখন নিয়ে তখন রুগীর অবস্তা এমন ছিলো যে তার চোঁখ বড় বড় ও সারা শরীরে চুলকানি হচ্ছিলো। রুগীর স্বজনরা বাবার ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা দিয়েছে বলে চিৎকার করছিলো। পরে আমি বললাম যে কি ঔষধ খােিয়ছেন রুগীর স্বামী নিজাম মিয়া দেকান ফিয়া প্লাস দেখলাম ফিয়া প্লাস মেয়দ নেই। পরে তারা রুগিকে রেখে ঔষধের দোকানে যায়।
তবে স্থানীয় রাজবাড়ীর সাধারন মানুষের বক্তব্য হলো, যে কিছু দিন আগে এক দোককানে মেয়দ উত্তীর্ণ ঔষধের জন্য জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। এর প্রতিবাদে সকল ঔষধ ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেয়।
কিন্তু যে আজ যে মেয়দ উত্তীর্ণ ঔষধ খেয়ে মানুষ মৃত্যুর পথে এর জন্য কোন ধর্ম ঘটের ডাক দেবে সাধারন মানুষ।
এর মধ্যে ফিয়া প্লাস নামে জ্বরের ঔষূধ খাওয়ানো হয় যা খেয়ে আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষনিক তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে হাসপাতালে রুগীর ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে বলে কর্তব রত চিকিৎসক ডাঃ জুবায়ের এর উপর চড়াও হয় রুগীর স্বজনরা। তখন চিকিৎসক ঔষূধের পাতার গায়ের তারিখ লক্ষ্য করে বলেন, এটি তো মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ ঔষূধ খেয়ে রুগী অসুস্ত হয়েছে।
পড়ে
রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে কিউ জামান মেডিক্যাল হলে গিয়ে ভাংচুরের চেষ্টা
করলে সদর ফাড়ির টহল পুলিশের বাধায় তা করতে পারেনি। এ খবর পেয়ে সদর থানার এস আই তারেকুজ্জামান এসে ঐ মেয়াদ উর্ত্তীনো ঔষূধগুলো জব্দ করেন।
এ ঘটনায় মিনু বেগমের স্বামী নিজাম মিয়া সদর থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
তবে এদিকে কিউ-জামান এর মালিকের ছেলে ও ফার্মেসী ব্যাসায়ী সমিতির সাধারন
সম্পাদক মো. আবদুর রউব-হিটু জানান মেয়াদ উত্তীণ ঔষধ ফিয়া প্লাস সেই জ্বরের
ঔষূধ টি কিউ-জামান থেকে বিক্রিকরা হয়নি। কারন নাভানা কম্পানীর ফিয়া প্লাস
ঔষধ এখন রাজবাড়ী কোন ঔষধের দোকানে নেই। তারা হয়তো গ্রামের কোন দোকন থেকে এই
ঔষধ ক্রয় করে ছিলো।এবিষয়ে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মো. আবু জুবায়ের বলেন, রাত
৯টার দিকে রুগী মিনু বেগম নামে ঐ রুগীকে নিয়ে আসলে সাথে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি বমি করা শুরু করে। যখন নিয়ে তখন রুগীর অবস্তা এমন ছিলো যে তার চোঁখ বড় বড় ও সারা শরীরে চুলকানি হচ্ছিলো। রুগীর স্বজনরা বাবার ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা দিয়েছে বলে চিৎকার করছিলো। পরে আমি বললাম যে কি ঔষধ খােিয়ছেন রুগীর স্বামী নিজাম মিয়া দেকান ফিয়া প্লাস দেখলাম ফিয়া প্লাস মেয়দ নেই। পরে তারা রুগিকে রেখে ঔষধের দোকানে যায়।
তবে স্থানীয় রাজবাড়ীর সাধারন মানুষের বক্তব্য হলো, যে কিছু দিন আগে এক দোককানে মেয়দ উত্তীর্ণ ঔষধের জন্য জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। এর প্রতিবাদে সকল ঔষধ ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেয়।
কিন্তু যে আজ যে মেয়দ উত্তীর্ণ ঔষধ খেয়ে মানুষ মৃত্যুর পথে এর জন্য কোন ধর্ম ঘটের ডাক দেবে সাধারন মানুষ।

Post a Comment