রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়ায় মিজু নামে এক এতিম শিশু নির্যাতনের স্বীকার হয়ে নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাংশা হাসপাতালে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন তার নানি। শুক্রবার সকাল ৬টায় হাসপাতালে শিশুটি মারা যায় বলে চিকিৎসক জানান।
নিহত মিজু (১৫) কুষ্টিয়া জেলার
খোকশা উপজেলার মৃত আবু মুসার ছেলে। যে তারা স্থানীয়রা জানায়, নিহত শিশু মিজুর বাবা ও মা প্রায় ৭-৮ বছর আগে মারা যায়। সেই কারনে দুই ভাই এক বোনের মধ্যে মিজু সবার ছোট ভাই বোন সবাই তার নানি বাড়ী রাজবাড়ী উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের বাহাদুর পুর মাঠপাড়া গ্রামেই থাকতো। মিজু বিভিন্ন সময়ে অন্যের বাড়ীতে কাজ করতো।
বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাংশা হাসপাতালে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন তার নানি। শুক্রবার সকাল ৬টায় হাসপাতালে শিশুটি মারা যায় বলে চিকিৎসক জানান।
নিহত মিজু (১৫) কুষ্টিয়া জেলার
খোকশা উপজেলার মৃত আবু মুসার ছেলে। যে তারা স্থানীয়রা জানায়, নিহত শিশু মিজুর বাবা ও মা প্রায় ৭-৮ বছর আগে মারা যায়। সেই কারনে দুই ভাই এক বোনের মধ্যে মিজু সবার ছোট ভাই বোন সবাই তার নানি বাড়ী রাজবাড়ী উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের বাহাদুর পুর মাঠপাড়া গ্রামেই থাকতো। মিজু বিভিন্ন সময়ে অন্যের বাড়ীতে কাজ করতো।
নিহত মিজুর নানী হালিমা বেগম বলেন মিজু গত ১মাস যাবত
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে কাজ করতো। সেখানে জয়নাল হাজারীও কাজ করতো সেই কারনে
তার সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে এরা এক সাথে চলা ফেরা করতো।আমি ঈদের আগে আজাদের বাড়িতে
গিয়ে দেখে আসি।
গত ৬আগষ্ট বৃহস্পতিবার
সকাল ১১টার কে বা কারা তাকে মাছপাড়া মোড়ে রাস্তার পাসে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা
বাড়ীতে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। পরে তাকে মারাত্বক আহত অবস্স্থায় পাংশা
সাস্থ্য কমদিকে কোন অপরাধ করেনি তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আর কারো কাছে বিচার চান না তিনি বিচার চান আল্লাহর কাছে।
পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর মেডিকেল অফিসার মো. খালেদ আহম্মদ সাইফুল্লাহ জানান, নিহত মিজুর আন্ডারকোসে নির্মমভাবে কাঠ দিয়ে আঘাত করায় তার উরুর বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয় এবং সেপ্টিসিনিয়ায় আক্রান্ত হয় । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হলে শুক্রবার সকাল ৬ টায় মারা যায়।
নিহত মিজুর মামা
মুগবুল শেখে ও খালা রহিমা বেগম জানান, তার
ভাগ্নে মাছপাড়া গ্রামের আজাদের বাড়িতে কাজকরতো সে খানে কাজ ঠিক করে দিয়েছিলো জয়নাল
হাজারী সে মেজুর বেতনের অর্ধেক টাকা নিয়ে নিতো সেই টাকা চাওয়ার কারনে হাজারী তাকে স্কুল
মাঠে মধ্যে ও আজাদের বাড়িতেও তার ছোট ভাই বাবুলের সামনে বাটাম দিয়ে বেধরক দিয়ে মারাত্বক
ভাবে আহত করে একটি ঘড়ের মধ্যে আটকে রাখে তাকে। মেজু মারর আগে বলেগেছে যে গত ২৫/০৭/২০১৫
তারিখে তাকে মারধোর করে জয়নাল হাজারী। এবং আজাদের ভাই বাবুল বলছে কুত্তার বাচ্চারে
মারতে মারতে মারতে মেরে ফেল।
তবে বিনা চিকিৎসায় তাকে প্রায় চৌদ্দ দিন কিধরনের যন্ত্রনায় কাতরাতে হয়েছে।
পাংশা মডেল থানার এস আই খান মো. বিল্লাল হোসেন জানান, এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই মনজেল শেখে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তার করার শহরের বিভিন্ন
অঞ্চলে অভিযান চালানো হচ্ছে।
তবে শিশু বা যুবক
নিয়ে একটি সমস্য রয়েছে..পুলিশ বলছে সে শিশু নয় কারন হাসপাতালে ও মামলায় মিজুর বয়স (২০)বছর
কিন্তু নানি,মামা ও যে খালা তাকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছে তাদের দাবি তার বয়স ১৫/১৬বছর।
এঘটনায় মাছপাড়া
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম না আমি ঢাকায় ছিলাম আমাকে
আমার এক জন মেম্বার ফোনে বলেছে যে মিজুকে জয়নাল হাজারী নামে এক জন তাকে পিটিয়ে আহত
করে। পরে সে হাসপাতালে মারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।বয়স নিয়ে চেয়ারম্যানের দিমত
আছে তিনিও বলেন সে শিশু নয় তার বয়স কমপক্ষে ২০বছর।
Post a Comment