এআরনিউজ২৪.কম ১৯সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজবাড়ীতে জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সমে¥লনকক্ষে দিনব্যাপী অটিজম ও নিঊরো ডেভেলপমেন্ট প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব দীপক কুমার প্রামানিক, উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, রাজবাড়ী।
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, কনসালটেন্ট, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, রাজবাড়ী উক্ত কর্মশালায় অটিজম ও নিঊরো ডেভেলপমেন্ট প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। সভায় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় রাজবাড়ী জেলার অটিজম শিশুদের অভিভাবক, জেলা প্রতিবন্ধী কল্যাণ কমিটির সদস্য, অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরঝা ট্রাস্ট এর সদস্য, বিজ্ঞ জিপি,এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও
ইলেক্টুনিকট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, অটিজম শিশুরা আমাদেরই সন্তান। তাদেরকে আমাদের মুল ¯্রােতধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।
২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে অটিজম শিশুসহ প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন করতে হবে। তাঁদের মেধা, প্রজ্ঞা এবং অবদানকে কাজে লাগাতে হবে।
তাঁদের সামাজিকভাবে সুশিক্ষা দান করতে হবে। তাঁদের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
অটিজম শিশুদের নিয়ে আমাদের সকলেরই দায় দায়িত¦ রয়েছে। বাংলাদেশে অনেক জ্ঞানী, গুণী
ও উচ্চ শিক্ষিত সামাজিক সচেতন মানব দরদী ব্যক্তিত¦ অটিজম নিয়ে কাজ করছেন।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশে অটিজম সচেতনতার প্রবক্তা ও প্রধান অটিজম বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নিউরো ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অনন্য
প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন।
তিনি তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা থেকে “Excellent in mental health” পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য বিরাট অর্জন।
সরকার অটিজম শিশুদের সুরক্ষার জন্য ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’’ আইন প্রণয়ন করেছে এবং বিভিন্ন কর্মকান্ড গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, জনবান্ধব এ সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিস্তৃত করে দারিদ্র্য দুরীকরণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন, আশ্রয়হীন মানুষকে আশ্রয় দানসহ বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন
করেছে।
সমাজে বিত্তশালী লোকজনসহ সর্বস্তরের লোকজনের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিকে সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে।
দরিদ্র পরিবারের অটিজম শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ড হতে ১ (এক) লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেন। এ লক্ষে ফান্ড পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসককে
সভাপতি ও উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা বিভাগ কে সদস্য সচিব করে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ৩ (তিন) টি দলে ভাগ করে ৩ (তিন) বিষয়ের উপর গ্রুপ আলোচনা করে সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়। কর্মশালায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, এই সুপারিশমালাসমূহ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সরকারী দপ্তরসমূহে অনুরোধ
করা হবে এবং অটিজম ও নিঊরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টি বোর্ডে প্রেরণ করা হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব দীপক কুমার প্রামানিক, উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, রাজবাড়ী।
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, কনসালটেন্ট, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, রাজবাড়ী উক্ত কর্মশালায় অটিজম ও নিঊরো ডেভেলপমেন্ট প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। সভায় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় রাজবাড়ী জেলার অটিজম শিশুদের অভিভাবক, জেলা প্রতিবন্ধী কল্যাণ কমিটির সদস্য, অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরঝা ট্রাস্ট এর সদস্য, বিজ্ঞ জিপি,এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও
ইলেক্টুনিকট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, অটিজম শিশুরা আমাদেরই সন্তান। তাদেরকে আমাদের মুল ¯্রােতধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।
২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে অটিজম শিশুসহ প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন করতে হবে। তাঁদের মেধা, প্রজ্ঞা এবং অবদানকে কাজে লাগাতে হবে।
তাঁদের সামাজিকভাবে সুশিক্ষা দান করতে হবে। তাঁদের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
অটিজম শিশুদের নিয়ে আমাদের সকলেরই দায় দায়িত¦ রয়েছে। বাংলাদেশে অনেক জ্ঞানী, গুণী
ও উচ্চ শিক্ষিত সামাজিক সচেতন মানব দরদী ব্যক্তিত¦ অটিজম নিয়ে কাজ করছেন।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশে অটিজম সচেতনতার প্রবক্তা ও প্রধান অটিজম বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নিউরো ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অনন্য
প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন।
তিনি তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা থেকে “Excellent in mental health” পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য বিরাট অর্জন।
সরকার অটিজম শিশুদের সুরক্ষার জন্য ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩’’ আইন প্রণয়ন করেছে এবং বিভিন্ন কর্মকান্ড গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, জনবান্ধব এ সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিস্তৃত করে দারিদ্র্য দুরীকরণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন, আশ্রয়হীন মানুষকে আশ্রয় দানসহ বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন
করেছে।
সমাজে বিত্তশালী লোকজনসহ সর্বস্তরের লোকজনের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিকে সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে।
দরিদ্র পরিবারের অটিজম শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ড হতে ১ (এক) লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেন। এ লক্ষে ফান্ড পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসককে
সভাপতি ও উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা বিভাগ কে সদস্য সচিব করে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ৩ (তিন) টি দলে ভাগ করে ৩ (তিন) বিষয়ের উপর গ্রুপ আলোচনা করে সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়। কর্মশালায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, এই সুপারিশমালাসমূহ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সরকারী দপ্তরসমূহে অনুরোধ
করা হবে এবং অটিজম ও নিঊরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টি বোর্ডে প্রেরণ করা হবে।

Post a Comment